একটু অসতর্কতাই আপনার প্রিয় ইয়ারফোন দ্রুত নষ্ট করে দিতে পারে—এই সত্যটা অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না। গান শোনা, অনলাইন মিটিং কিংবা পডকাস্ট, সব ক্ষেত্রেই ইয়ারফোন আজ অপরিহার্য। তাই দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে ব্যবহারেই আনতে হবে কিছু সচেতনতা।
সবচেয়ে আগে গুরুত্ব দিতে হবে ইয়ারফোন রাখার অভ্যাসে। ব্যবহার শেষে পকেটে গুঁজে না রেখে আলাদা পাউচ বা কেসে রাখা ভালো। এতে তার জড়িয়ে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। কখনও তার জট পাকালে ধীরে ধীরে খুলতে হবে, জোরে টান দেওয়া একেবারেই ঠিক নয়।
অনেকে ইয়ারফোন অন্যের সঙ্গে শেয়ার করেন, যা স্বাস্থ্য ও ডিভাইস—দুটির জন্যই ক্ষতিকর। প্রয়োজনে শেয়ার করলে অবশ্যই আগে ও পরে পরিষ্কার করা জরুরি। নিয়মিত পরিষ্কারের জন্য তুলোর সঙ্গে অল্প স্পিরিট ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত ভেজানো চলবে না।
ভলিউমের দিকেও নজর রাখা দরকার। অতিরিক্ত আওয়াজে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলে স্পিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইয়ারফোন দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। মাঝারি ভলিউমেই নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
ওয়্যারড হোক বা ওয়্যারলেস—সব ধরনের ইয়ারফোনই যদি যত্ন করে ব্যবহার করা হয়, তাহলে দীর্ঘদিন ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ইয়ারফোন কোথায় রাখা সবচেয়ে নিরাপদ?
উত্তর: আলাদা পাউচ বা কেসে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রশ্ন ২: ইয়ারফোন কতদিন পর পর পরিষ্কার করা উচিত?
উত্তর: সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করা ভালো।
প্রশ্ন ৩: বেশি ভলিউমে ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: স্পিকার ফেটে যেতে পারে এবং আয়ু কমে যায়।
প্রশ্ন ৪: অন্যের সঙ্গে ইয়ারফোন শেয়ার করা কি নিরাপদ?
উত্তর: না, এতে সংক্রমণ ও ডিভাইস নষ্টের ঝুঁকি থাকে।
প্রশ্ন ৫: ওয়্যারলেস ইয়ারফোনে আলাদা যত্ন দরকার কি?
উত্তর: হ্যাঁ, চার্জিং ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখা জরুরি।

