হঠাৎ করেই যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছে শীতের কামড়। রাজধানী **দিল্লি**তে বৃহস্পতিবার শৈত্যপ্রবাহের দাপটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেল ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী, সফদরজঙ এলাকায় এটিই চলতি মরসুমের এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ঠান্ডা দিন।
গত কয়েক দিন ধরেই দিল্লির তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। তবে বৃহস্পতিবার তা আরও নীচে নামায় স্পষ্টভাবে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কুয়াশার দাপট। ভোরের দিকে দিল্লির একাধিক এলাকায় ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারদিক। এর জেরে সড়ক, ট্রেন এবং বিমান পরিষেবায় প্রভাব পড়ছে। পালম বিমানবন্দরে একসময় দৃশ্যমানতা নেমে গিয়েছিল ৫০ মিটারেরও নীচে।
শুধু দিল্লি নয়, এনসিআর ও পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও একই ছবি। হরিয়ানার বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি পৌঁছেছে। গুরুগ্রাম ও হিসারে সাম্প্রতিক বছরগুলির মধ্যে অন্যতম শীতল দিন দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন এই শীতল পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কিছু পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে, যা শীত আরও বাড়াতে পারে।
প্রশ্ন ও উত্তর
Q1. দিল্লিতে বর্তমানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?
বৃহস্পতিবার সফদরজঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
Q2. এটি কি মরসুমের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন?
হ্যাঁ, চলতি মরসুমে এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শীতল দিন।
Q3. কুয়াশার প্রভাব কত দিন থাকতে পারে?
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত কুয়াশার দাপট থাকতে পারে।
Q4. কোথায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে?
দিল্লি, এনসিআর ও হরিয়ানার একাধিক জেলায় শীত ও কুয়াশার প্রভাব বেশি।
Q5. সামনে তাপমাত্রা কি আরও কমবে?
পূর্বাভাস অনুযায়ী, কয়েক দিন শীতল পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।

