মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার সুর শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ করেই আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে কড়া বার্তা পাঠাল ইরান, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ওপর কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, সেসব দেশকে আগাম সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে এই অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। একই সঙ্গে এসব দেশকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা ঠেকাতে ভূমিকা রাখে।
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন চললেও বর্তমানে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়াকড়িতে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানিয়ে ইরানের সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এর প্রতিবাদে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক স্থগিত করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকেও কঠিন কূটনৈতিক চাপে পড়তে হতে পারে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: ইরান কেন আঞ্চলিক দেশগুলোকে সতর্ক করল?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার জবাবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কথা জানাতেই এই সতর্কবার্তা।
প্রশ্ন ২: কোন কোন দেশকে বার্তা দিয়েছে ইরান?
উত্তর: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশকে।
প্রশ্ন ৩: মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এতে পুরো অঞ্চলে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে।
প্রশ্ন ৪: ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি কেমন?
উত্তর: বিক্ষোভ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরিস্থিতি এখনও স্পর্শকাতর।
প্রশ্ন ৫: এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে কী প্রভাব পড়তে পারে?
উত্তর: আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে।

