সুস্থ থাকার রহস্য লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের খাবারেই—আর সেই রহস্যের নাম প্রোটিন। শরীর গঠন থেকে শুরু করে হার্ট ভালো রাখা, সব কিছুর জন্যই প্রয়োজন protein rich foods। কিন্তু দামি সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন পাউডার না খেলেও, ঘরের সাধারণ খাবারেই মিলতে পারে প্রয়োজনীয় প্রোটিন।
ডিমের সাদা অংশ ও আস্ত ডিম
ডিম প্রোটিনের অন্যতম সহজ উৎস। ডিমের সাদা অংশ প্রায় সম্পূর্ণ প্রোটিন, ফ্যাট প্রায় নেই বললেই চলে। আবার আস্ত ডিমে প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিনও থাকে। প্রতিদিনের ডায়েটে সহজেই যোগ করা যায়।
বাদাম
চিনাবাদাম ও কাঠবাদাম প্রোটিনে ভরপুর। অফিস বা বাড়িতে হালকা স্ন্যাকস হিসেবে বাদাম আদর্শ। তবে ক্যালোরি বেশি হওয়ায় পরিমাণে সংযম জরুরি।
হাড় ছাড়া মুরগির বুকের মাংস
কম ফ্যাট ও উচ্চ প্রোটিন—এই দুই গুণের জন্য চিকেন ব্রেস্ট খুবই জনপ্রিয়। যারা পেশি গঠন বা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাঁদের জন্য এটি দারুণ বিকল্প।
মসুর ডাল
রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান মসুর ডাল। অল্প সময়ে রান্না হয় এবং প্রোটিনের ভালো উৎস হওয়ায় প্রতিদিন খাওয়ার জন্য উপযোগী।
ছোলা
ছোলা দিয়ে তৈরি করা যায় অসংখ্য পদ। সেদ্ধ, ভাজা বা সালাদ—সব ভাবেই ছোলা প্রোটিন বাড়ানোর সহজ উপায়।
প্রশ্ন ও উত্তর
1. প্রতিদিন কতটা প্রোটিন দরকার?
বয়স ও ওজন অনুযায়ী প্রোটিনের চাহিদা বদলায়, তবে গড়ে একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য দৈনিক 0.8 গ্রাম/কেজি যথেষ্ট।
2. নিরামিষ খাবার থেকে কি পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, ডাল, ছোলা, বাদাম থেকেই ভালো পরিমাণ প্রোটিন পাওয়া সম্ভব।
3. ডিমের কুসুম কি এড়িয়ে চলা উচিত?
না, সীমিত পরিমাণে কুসুম খাওয়া নিরাপদ এবং পুষ্টিকর।
4. প্রোটিন বেশি খেলে কি ওজন বাড়ে?
না, বরং সঠিক পরিমাণে প্রোটিন ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
5. শিশুদের জন্য কোন প্রোটিন খাবার ভালো?
ডিম, ডাল ও দুধ শিশুদের জন্য নিরাপদ ও উপকারী প্রোটিন উৎস।

