বিশ্বব্যবস্থা ভাঙছে যুক্তরাষ্ট্র, কড়া বার্তা জার্মান প্রেসিডেন্টের

Published By: Khabar India Online | Published On:

বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে কি আবারও বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত? আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন জার্মানির প্রেসিডেন্ট Frank-Walter Steinmeier। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যবস্থা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর শাসনামলে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির কড়া সমালোচনা করেন স্টেইনমায়ার। তিনি বলেন, যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা একসময় যুক্তরাষ্ট্র নিজেই গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল, সেই ব্যবস্থার ভিত্তিই এখন নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি Nicolas Maduro-কে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করে জার্মান প্রেসিডেন্ট জানান, বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের ওপর আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় বড় আক্রমণ চলছে। তাঁর মতে, এমন চাপ আগে কখনও দেখা যায়নি।

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, Crimea দখল এবং Ukraine-এ পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক বিপজ্জনক নজির তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আচরণকে তিনি আরেকটি ঐতিহাসিক বিচ্ছেদের প্রতীক বলে উল্লেখ করেন।

এক সিম্পোজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যে স্টেইনমায়ার বলেন, বিশ্বকে যেন “ডাকাতদের আখড়া” হয়ে উঠতে না দেওয়া হয়—যেখানে নৈতিকতাহীন শক্তিরা অঞ্চল বা পুরো দেশ নিজেদের সম্পত্তি হিসেবে দেখে। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে সক্রিয় হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যবস্থা রক্ষার জন্য BrazilIndia-র মতো দেশগুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জার্মান প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, যৌথ উদ্যোগ ছাড়া বর্তমান সংকট থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন।

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: জার্মান প্রেসিডেন্ট কেন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন?
উত্তর: তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি আন্তর্জাতিক বিশ্বব্যবস্থাকে দুর্বল করছে।

প্রশ্ন ২: এই বক্তব্যের পেছনে কোন প্রেক্ষাপট কাজ করেছে?
উত্তর: ভেনেজুয়েলা, ইউক্রেন ও ক্রিমিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এই উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

প্রশ্ন ৩: স্টেইনমায়ার বিশ্বকে কী সতর্কবার্তা দিয়েছেন?
উত্তর: বিশ্ব যেন নৈতিকতাহীন শক্তির দখলে “ডাকাতদের আখড়া” না হয়ে ওঠে।

প্রশ্ন ৪: তিনি কোন দেশগুলির ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: ব্রাজিল ও ভারতের মতো দেশগুলিকে বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

প্রশ্ন ৫: এই বক্তব্যের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি বৈশ্বিক রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্য ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।