জুবিনের স্মৃতিতে নতুন পথচলা, বিশেষ ট্রাস্ট গড়ছেন গরিমা

Published By: Khabar India Online | Published On:

তিন মাস কেটে গেলেও এখনও যেন থামেনি শোকের ঢেউ। প্রিয় শিল্পীকে হারানোর যন্ত্রণা বুকে নিয়েই এবার এক নতুন পথের কথা জানালেন গায়ক Jubin Garg-এর স্ত্রী গরিমা শইকীয়া। শুধু স্মৃতিচারণ নয়, জুবিনের আদর্শকে জীবন্ত রাখতেই নেওয়া হচ্ছে এক বিশেষ উদ্যোগ।

সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গরিমা জানান, জুবিনের নামে একটি ট্রাস্ট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই ট্রাস্টের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবেন পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি জুবিনের অনুরাগী ও ফ্যান ক্লাবের প্রতিনিধিরাও।

গরিমার কথায়, জুবিন প্রকৃতি, শিল্প ও মানবিক কাজের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে সাজানো হচ্ছে ট্রাস্টের কর্মপরিকল্পনা। পরিবেশ সংরক্ষণ হবে এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি, তরুণ ও প্রতিভাবান শিল্পীদের পাশে দাঁড়াতে বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থাও থাকবে।

এছাড়াও জুবিনের বিপুল সংগীতভাণ্ডার ও শৈল্পিক সৃষ্টিকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণার জন্য গড়ে তোলা হবে একটি আলাদা রিসার্চ উইং, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তার কাজ আরও গভীরভাবে জানতে পারে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, জুবিন জীবদ্দশায় ‘কলাগুরু আর্টিস্ট ফাউন্ডেশন’সহ আরও একাধিক সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গরিমা জানিয়েছেন, নতুন এই ট্রাস্ট আগের সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে একটি শো চলাকালীন আকস্মিক প্রয়াণ ঘটে জুবিন গার্গের। তার মরদেহ আসামে পৌঁছতেই শেষ বিদায়ে সামিল হয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। সেই ভালোবাসাকেই এবার দায়িত্বে বদলে দিতে চাইছে তার পরিবার।

প্রশ্ন ও উত্তর

১. জুবিনের নামে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?
জুবিন গার্গের নামে একটি বিশেষ ট্রাস্ট গঠন করা হচ্ছে।

২. ট্রাস্টের মূল লক্ষ্য কী?
পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পী সহায়তা এবং জুবিনের কাজ সংরক্ষণ।

৩. কারা এই ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন?
পরিবারের সদস্য ও জুবিনের ফ্যান ক্লাবের প্রতিনিধিরা।

৪. জুবিনের সংগীত নিয়ে কী পরিকল্পনা আছে?
তার সৃষ্টিকে বৈজ্ঞানিকভাবে সংরক্ষণ ও গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৫. আগের সংস্থাগুলির ভূমিকা কী থাকবে?
নতুন ট্রাস্টের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একসঙ্গে কাজ করবে তারা।