ইরানে বিক্ষোভে মৃত্যু হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে, কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Published By: Khabar India Online | Published On:

হঠাৎ করেই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ল। ইরানে চলমান বিক্ষোভে প্রাণহানির খবর সামনে আসতেই কঠোর ভাষায় সতর্কবার্তা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের তীব্র মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার দরপতন এবং অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন সম্প্রতি সহিংস আকার ধারণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পিছপা হবে না।

শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকার অতীতেও আন্দোলন দমনে গুলি চালিয়েছে। আবারও যদি একই ঘটনা ঘটে, তবে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের ‘উদ্ধারে’ এগিয়ে আসবে। তিনি আরও দাবি করেন, এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

রোববার তেহরান থেকে শুরু হওয়া ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট দ্রুত দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার পশ্চিম ও মধ্য ইরানের একাধিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আধা সরকারি সূত্রে কয়েকজন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করছে, বিভিন্ন প্রদেশে বিক্ষোভকারীদের গুলিতে হত্যা এবং ব্যাপক আটকের ঘটনা ঘটেছে। যদিও সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১: ইরানে কেন বিক্ষোভ শুরু হয়েছে?
উত্তর: তীব্র মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়।

প্রশ্ন ২: বিক্ষোভে কতজন নিহত হয়েছেন?
উত্তর: বিভিন্ন সূত্রে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তবে সংখ্যা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

প্রশ্ন ৩: ট্রাম্প কী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন?
উত্তর: শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীরা নিহত হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

প্রশ্ন ৪: যুক্তরাষ্ট্র কি সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে?
উত্তর: ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে, তবে নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা জানাননি।

প্রশ্ন ৫: এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কী?
উত্তর: প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।