বিশ্বের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগ বাড়াল উত্তর কোরিয়া। দূরপাল্লার কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার কথা জানিয়েছে দেশটি।
রোববার এই উৎক্ষেপণ কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। সোমবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক প্রতিরোধব্যবস্থার সক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম দিকের সাগরের ওপর নির্ধারিত পথ ধরে উড়ে গিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেন কিম জং উন।
২০২৬ সালের শুরুতে শাসক দলের কংগ্রেসকে সামনে রেখে সামরিক সক্ষমতা ও উন্নয়ন তুলে ধরতে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে সক্রিয় কিম। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারমাণবিক প্রতিরোধব্যবস্থার তাৎক্ষণিক পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি যাচাই অত্যন্ত জরুরি।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফস জানায়, পিয়ংইয়ংয়ের সুনান এলাকা থেকে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া মনে করছে, এসব তৎপরতা কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রচলিত ও পারমাণবিক—দু’ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম হতে পারে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ইয়োনহাপ সূত্রে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: কেন এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া?
উত্তর: পারমাণবিক প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা প্রস্তুতির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য।
প্রশ্ন ২: কিম জং উন কি সরাসরি উৎক্ষেপণ দেখেছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি রোববার নিজে উপস্থিত থেকে উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করেন।
প্রশ্ন ৩: ক্ষেপণাস্ত্রটি কোথায় পরীক্ষা করা হয়?
উত্তর: কোরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম দিকের সাগরের ওপর।
প্রশ্ন ৪: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিক্রিয়া কী?
উত্তর: তারা এটিকে আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি বলে মনে করছে।
প্রশ্ন ৫: ভবিষ্যতে আরও পরীক্ষা হতে পারে কি?
উত্তর: বিশেষজ্ঞদের মতে, নববর্ষ ঘিরে আরও পরীক্ষার সম্ভাবনা রয়েছে।

