যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাকে ঘিরে এবার এক বিশাল অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন গাজা উপত্যকা পুনর্নির্মাণে প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলারের একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা আগামী দশ বছরে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট সানরাইজ’। পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো গাজার ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকাকে ধীরে ধীরে একটি আধুনিক উপকূলীয় শহর ও সম্ভাব্য পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিকভাবে অনুদান ও ঋণ সহায়তা মিলিয়ে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার দিতে পারে। বাকি অর্থ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা ও ভবিষ্যৎ স্ব-অর্থায়নের মাধ্যমে সংগ্রহের ধারণা রয়েছে।
তবে পরিকল্পনায় স্পষ্ট করা হয়নি পুনর্নির্মাণের সময় গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দার পুনর্বাসন কীভাবে হবে কিংবা কোন কোম্পানি বা সংস্থা এই কাজে যুক্ত থাকবে। এই অনিশ্চয়তা ঘিরে ইতোমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য দাতা হিসেবে ধনী আরব রাষ্ট্র, তুরস্ক ও মিশরের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মার্কিন কর্মকর্তা, ইসরায়েলি প্রতিনিধিরা এবং বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: প্রজেক্ট সানরাইজ কী?
উত্তর: এটি গাজা উপত্যকা পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প।
প্রশ্ন ২: এই প্রকল্পে মোট কত অর্থ ব্যয় হতে পারে?
উত্তর: প্রায় ১১২.১ বিলিয়ন ডলার, যা দশ বছরে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশ্ন ৩: যুক্তরাষ্ট্র কত অর্থ সহায়তা দেবে?
উত্তর: অনুদান ও ঋণ মিলিয়ে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে।
প্রশ্ন ৪: গাজার বাসিন্দাদের ভবিষ্যৎ কী হবে?
উত্তর: পরিকল্পনায় এ বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
প্রশ্ন ৫: কারা এই পরিকল্পনা তৈরিতে যুক্ত ছিলেন?
উত্তর: মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিশেষ প্রতিনিধিরা এই খসড়া প্রস্তুত করেছেন।

