হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ময়দানে তৈরি হল উত্তেজনা। মেক্সিকোর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভারতীয় রপ্তানিকারীদের স্বার্থে প্রয়োজনে ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মেক্সিকো একতরফাভাবে একঝাঁক ভারতীয় পণ্যে বাড়তি শুল্ক চাপিয়েছে, যা কার্যকর হওয়ার কথা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে। এই সিদ্ধান্তে ভারত ছাড়াও এশিয়ার একাধিক দেশ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকারের এক আধিকারিক জানান, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রাখা হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম মেনে ভারতের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা সরকারের দায়িত্ব। আগাম কোনও আলোচনা ছাড়াই এমএফএন ট্যারিফ বৃদ্ধি সহযোগিতামূলক বাণিজ্য সম্পর্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেই মত ভারতের।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক ইতিমধ্যেই মেক্সিকোর অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল ও মেক্সিকোর সহকারী অর্থমন্ত্রী সুইস রোসেন্দোর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও আলোচনা হতে পারে বলে আশা।
এই শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে গাড়ি, ইস্পাত, পোশাক, প্লাস্টিক, খেলনা, জুতো, চামড়ার পণ্য-সহ বহু ক্ষেত্রে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত-মেক্সিকো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা নতুন করে শুরু হতে পারে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন ১: মেক্সিকো কেন ভারতীয় পণ্যে ৫০% শুল্ক আরোপ করেছে?
উত্তর: মার্কিন নীতির প্রেক্ষিতে বাণিজ্য চুক্তি না থাকা দেশগুলির উপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।
প্রশ্ন ২: কবে থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে?
উত্তর: আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা।
প্রশ্ন ৩: ভারতের কোন কোন পণ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?
উত্তর: গাড়ি, যন্ত্রাংশ, ইস্পাত, পোশাক, প্লাস্টিক, খেলনা ও চামড়ার পণ্য।
প্রশ্ন ৪: ভারত কী ধরনের পালটা পদক্ষেপ নিতে পারে?
উত্তর: আলোচনা ব্যর্থ হলে শুল্ক বা বাণিজ্য সংক্রান্ত উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
প্রশ্ন ৫: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হলে কী লাভ হবে?
উত্তর: শুল্ক কমে রপ্তানির ধাক্কা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হবে।

