একটা সম্পর্ক শুধু উপহার বা ডেটিংয়েই বাঁচে না, অনেক সময় কয়েকটা আন্তরিক কথাই ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তোলে। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও সঙ্গীর সঙ্গে কীভাবে কথা বলছেন, সেটাই ঠিক করে দেয় সম্পর্ক কতটা শক্ত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌখিকভাবে অনুভূতি প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি। কিছু ছোট্ট কিন্তু শক্তিশালী শব্দ আছে, যা সঙ্গীর মনে নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর সম্মানবোধ তৈরি করে।
প্লিজ
এই ছোট শব্দটিই বোঝায় আপনি সঙ্গীর অনুভূতির মূল্য দেন। অনুরোধের সময় ‘প্লিজ’ বললে কথার সৌজন্য বাড়ে।
ধন্যবাদ
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে সঙ্গী বুঝতে পারে, তার চেষ্টা আপনি দেখছেন। এতে সম্পর্ক আরও উষ্ণ হয়।
দুঃখিত
ভুল হলে ক্ষমা চাইতে দ্বিধা করবেন না। অহং না রেখে ‘সরি’ বলা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম চাবিকাঠি।
তোমাকে দারুণ লাগছে
প্রশংসা সবাই পছন্দ করে। সঙ্গীর প্রশংসা তার আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং আপনাদের কাছাকাছি আনে।
তোমার মতামত জানতে চাই
যৌথ সিদ্ধান্ত সম্পর্ককে মজবুত করে। সঙ্গীর মতামত চাইলে সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
তুমি পারবে
এই কথাটাই সঙ্গীর সবচেয়ে বড় প্রেরণা হতে পারে। সাফল্যে অভিনন্দন আর ব্যর্থতায় উৎসাহ দিন।
আই লাভ ইউ ও আই মিস ইউ
ভালোবাসা আর মনে পড়ার কথা স্পষ্ট করে বলুন। দূরত্ব থাকলেও এই কথাগুলো সম্পর্ককে কাছাকাছি রাখে।
ক্ষমা করলাম
ক্ষমা না থাকলে কোনো সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সত্যিকারের ভালোবাসায় ক্ষমা খুবই জরুরি।
১. সম্পর্ক ভালো রাখতে কথা বলা কেন জরুরি?
কারণ কথার মাধ্যমেই অনুভূতি, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ পায়।
২. শুধু ‘আই লাভ ইউ’ বললেই কি যথেষ্ট?
না, প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা ও ক্ষমার কথাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৩. ক্ষমা চাইলে কি নিজেকে ছোট করা হয়?
একদমই না, বরং এটি মানসিক তার পরিচয়।
৪. সঙ্গীর মতামত না নিলে কী সমস্যা হয়?
তাতে সঙ্গী অবহেলিত বোধ করতে পারে।
৫. প্রতিদিন কি এসব কথা বলা দরকার?
সব না হলেও আন্তরিকতা নিয়ে কিছু কথা নিয়মিত বলাই ভালো।

