জাপানে সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও বাড়ছে ভূমিকম্পের শঙ্কা

Published By: Khabar India Online | Published On:

এক রাতের আতঙ্ক পেরিয়ে জাপান আবারও দাঁড়াচ্ছে স্বাভাবিক ছন্দে, কিন্তু সামনে কী অপেক্ষা করছে—সে প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়। সোমবারের ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আওমরি উপকূল, যার পর মুহূর্তেই জারি হয় সুনামি সতর্কতা।

প্রথমে ৭.৬ মাত্রা জানালেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৫ করা হয়। কম্পনের প্রভাবে ঘটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। ভূমিকম্পটি জাপানি শিন্ডো স্কেলে আপার-৬ তীব্রতা নিয়ে আঘাত হানে হাচিনোহে শহরে, যার উৎপত্তি ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে।

সতর্কতা জারি হওয়া হোক্কাইডো ও আওমরির পূর্ব উপকূলে মঙ্গলবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে সম্পূর্ণভাবে সুনামি নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে পাঁচটি অঞ্চলের প্রায় এক লাখ বাসিন্দার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ বাতিল করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের ধাক্কায় আওমরি ও ইওয়াতে এলাকায় জল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৪৮০টি পরিবার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি সহায়তা পাঠানো হয়েছে।

তবে স্বস্তির মধ্যেও নতুন উদ্বেগের বার্তা দিয়েছে জাপান সরকার। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সতর্ক করে জানিয়েছেন, হোক্কাইডো থেকে সানরিকু উপকূল পর্যন্ত যেকোনো সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে। তাই বাসিন্দাদের আগামী এক সপ্তাহ সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আরও ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকলেও স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই—তবে সচেতনতা ও প্রস্তুতিই এখন সবার প্রধান হাতিয়ার।

1. জাপানে সুনামি সতর্কতা কেন প্রত্যাহার করা হলো?
কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের পর্যবেক্ষণে বিপজ্জনক ঢেউয়ের সম্ভাবনা না থাকায় সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

2. ভূমিকম্পে কতজন আহত হয়েছেন?
এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

3. কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
আওমরি ও ইওয়াতে অঞ্চলে জল সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি সবচেয়ে বেশি।

4. আগামী সপ্তাহে ঝুঁকি কেমন থাকতে পারে?
সরকার জানিয়েছে, আরও ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে, তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

5. বাসিন্দাদের কি স্বাভাবিক কাজে ফিরতে বলা হয়েছে?
হ্যাঁ, স্বাভাবিক কাজ করা যাবে, তবে সতর্কতা বজায় রাখতে হবে।