এক অজানা চাপা উদ্বেগ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে—যুক্তরাষ্ট্র কি আরও বড় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে? ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক ইঙ্গিত বলছে, সিদ্ধান্ত আসতে পারে খুব শিগগিরই।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোম জানিয়েছেন, ৩০টিরও বেশি দেশের নাগরিককে নতুন তালিকায় যুক্ত করার বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, চূড়ান্ত সংখ্যা জানানো না হলেও এটা “৩০-এর বেশি” হবে বলেই ধারণা।
চলতি বছরের জুনে ১২ দেশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা এবং আরও সাত দেশের ওপর সীমিত প্রবেশাধিকার আরোপের পর থেকেই হোয়াইট হাউস অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নিরাপত্তা হুমকি, পরিচয় যাচাই না হওয়া এবং তথ্য বিনিময়ে ব্যর্থতার কথাই জানানো হচ্ছে প্রধান কারণ হিসেবে।
নোম বলেন, যদি কোনো দেশের স্থিতিশীল সরকার না থাকে বা নিজেদের নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কেন তাদের প্রবেশের অনুমতি দেবে? সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় আফগান একজন নাগরিককে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্য হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করার পর প্রশাসনের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে।
ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি ‘তৃতীয় বিশ্ব’ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করতে চান, যদিও কোন দেশগুলোকে এই বিভাগে ধরা হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ১৯ দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ড ও বাইডেন আমলে অনুমোদিত আশ্রয় মামলার পুনঃপর্যালোচনার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, শিক্ষা, ব্যবসা ও মানবিক সহায়তার কাঠামোতে বড় প্রভাব পড়তে পারে। তবে প্রশাসন বলছে—দেশের নিরাপত্তাই সর্বাগ্রে।
১. যুক্তরাষ্ট্র কেন নতুন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করছে?
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও পরিচয় যাচাইয়ের ঘাটতির যুক্তি দেখিয়ে তালিকা সম্প্রসারণের কথা বলছে প্রশাসন।
২. কতটি দেশ নতুন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে?
প্রাথমিক ইঙ্গিত অনুযায়ী ৩০টিরও বেশি দেশ যুক্ত হতে পারে।
৩. নিষেধাজ্ঞা কি সব ধরনের ভিসা আবেদনকারীর ওপর প্রযোজ্য হবে?
হ্যাঁ, অভিবাসী ও অ-অভিবাসী উভয় শ্রেণির ওপরই এটি প্রযোজ্য হতে পারে।
৪. সাম্প্রতিক কোন ঘটনার পর কড়াকড়ি বেড়েছে?
ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্য হত্যার অভিযোগে একজন আফগান নাগরিককে দায়ী করার পর নীতি আরও কঠোর হচ্ছে।
৫. এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে?
ছাত্রছাত্রী, পর্যটক, ব্যবসায়ী ও অভিবাসন আবেদনকারীরা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারেন।

