অবস্থার অনিশ্চয়তার মাঝেই আবারও নতুন উত্তেজনা—বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে কি না, সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হবে আজ রাতেই।
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি টানা সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন। গত শুক্রবার ভোরে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও কাতার আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে কারিগরি সমস্যার কারণে যাত্রা পিছিয়ে যায়। পরে জানানো হয়, জার্মানির একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কাতার সরকারই।
শনিবার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেল নিশ্চিত করে যে, রাতের বৈঠকে মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এদিকে চিকিৎসকরা জানান, শুক্রবার তার এন্ডোস্কোপি সম্পন্ন হয়েছে এবং পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ আপাতত বন্ধ রয়েছে।
এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় এসেছেন তার বড় ছেলে তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে শাশুড়ির চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় আলোচনায় অংশ নেন।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। গত বছর আগস্টে সরকারের পতনের পর মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা নেন এবং ১১৭ দিন পর দেশে ফেরেন। এরপর নিয়মিত চিকিৎসা নিতে এভারকেয়ারেই যাচ্ছিলেন তিনি। চলতি নভেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে তিনি সিসিইউতে রয়েছেন টানা ১৩ দিন ধরে।
সব মিলিয়ে এখন দৃষ্টি আজ রাতের সিদ্ধান্তে—লন্ডন নাকি ঢাকাতেই চলবে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা।
1. খালেদা জিয়াকে আজ রাতেই লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কি হতে পারে?
হ্যাঁ, মেডিকেল বোর্ডের বৈঠকে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
2. এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কেন বিলম্ব হয়েছে?
কাতারের পাঠানো অ্যাম্বুলেন্সে কারিগরি ত্রুটি ছিল, পরে জার্মানির অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
3. তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার মূল সমস্যা কী?
তিনি বহুদিন ধরে ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও আর্থ্রাইটিসসহ জটিল রোগে ভুগছেন।
4. ডা. জুবাইদা রহমান কেন ঢাকায় এসেছেন?
তিনি চিকিৎসা প্রক্রিয়া তদারকি করতে এবং মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে এসেছেন।
5. পাকস্থলীর রক্তক্ষরণের সর্বশেষ অবস্থা কী?
এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট অনুযায়ী রক্তক্ষরণ আপাতত বন্ধ রয়েছে।

