গাজায় মৃত্যুর মিছিল থামছে না, নিহতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৭০ হাজার!

Published By: Khabar India Online | Published On:

শুরুটা ছিল কেবল যুদ্ধবিরতি — কিন্তু গাজার মৃত্যুর মিছিল থামছে না। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, অবরুদ্ধ উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিকসহ নিহত হয়েছেন ৭০-হাজারেরও বেশি মানুষ।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হামলা ও বোমাবর্ষণের ফলে নিহত-সংখ্যা শূন্যহাতে নয়, সব বয়সের মানুষ, এমনকি শিশু ও নারীও এতে শামিল।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গত কয়েক ঘণ্টায় দুই শিশুসহ নতুন প্রাণহানি হয়েছে।

এই মৃত্যু-সংখ্যা শুধু একাধিক পরিবার ভেঙে দিচ্ছে না — পুরো সমাজকে চরম মানবিক সঙ্কটে ফেলে দিচ্ছে। গাজার সবুজ মাঠ, বাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল — সবই ধ্বংস; বেসরকারি ও দায়িত্বশীল সংস্থারা একে “মানবতাবিরুদ্ধ” যুদ্ধ বলে উল্লেখ করেছে।

আরও পড়ুন -  বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ, গাজা যুদ্ধে

বিশ্বমঞ্চেও গাজা নিয়ে সহানুভূতি ও প্রতিবাদ বাড়ছে। অনেক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা দাবি করছে — এখন শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ছাড়া গাজার মানুষের বেঁচে থাকা নিশ্চিত নয়।

 

Q1: গাজায় এত (!) মানুষ কীভাবে নিহত হয়েছে?
A1: ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ, এয়ারস্ট্রাইক এবং সামরিক হামলার ফলে — বেসামরিক নাগরিক, শিশু ও নারীসহ — ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন -  Israel: তিন বছরের শিশু তামিমির মৃত্যু, ইসরায়েলি সেনার গুলিতে

Q2: ৭০-হাজারের সংখ্যা কবে ও কার দিকে অনুযায়ী?
A2: গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান হামলা ও সংঘর্ষের মোট হিসাব।

Q3: যুদ্ধবিরতির মধ্যেও কি হামলা চলছে?
A3: হ্যাঁ — সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যেখানে যুদ্ধবিরতি ও প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বেসামরিক আহত ও নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছে।

আরও পড়ুন -  সিপিএমের ব্যানার-ফেস্টুন ছেড়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা খরদা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়

Q4: গাজার অবস্থা শুধু মানুষের মৃত্যু দিয়ে সীমাবদ্ধ কি?
A4: না — বাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তা, সব নষ্ট হয়েছে এমন রিপোর্ট; ফলে জীবন, শিক্ষা, চিকিৎসা — সব কিছুই ব্যাপক সংকটে।

Q5: এর থেকে পালিয়ে যেতে পারবে কি গাজার মানুষ?
A5: এখন পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়, ত্রাণ বা বিকল্প সুযোগই সীমাবদ্ধ। আন্তর্জাতিকভাবে পায় বাড়তি সহায়তা এবং স্থায়ী শান্তি ছাড়া গাজার মানুষের সঙ্কট অব্যাহত থাকতে পারে।