ছাপ পড়বে না বয়স বাড়লে ত্বকে, ৫ অভ্যাস

Published By: Khabar India Online | Published On:

এটি একটি সর্বজনীন সত্য যে কেউ তাদের মুখ বা চুলে বার্ধক্যের লক্ষণগুলি বুঝতে চায় না। তবুও, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু এবং অত্যধিক দূষণ ইতিমধ্যে আমাদের ত্বকে তাদের প্রভাব ফেলেছে। পূর্বে, তরুণদের মধ্যে ত্বকের বার্ধক্য একটি প্রচলিত সমস্যা ছিল না। তবে নানা কারণে মুখের ওপর বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায় না ইচ্ছে করেই। তা সত্ত্বেও, কিছু অভ্যাস অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করতে পারে। সুতরাং, কীভাবে একজন ত্বকের অকাল বার্ধক্য এড়াতে পারে?

প্রথম এবং সর্বাগ্রে, পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য, প্রতিদিন কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। রাতে অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা যায়। ঘুমের সময়, ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা বলিরেখা থেকে রক্ষা করে। তাই প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। তদুপরি, ঘুমের বঞ্চনা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগকে বাড়িয়ে তোলে, যা বার্ধক্যকে ত্বরান্বিত করে।

তাছাড়া, আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা অত্যাবশ্যক। এই ধরনের খাবার ত্বকের নমনীয়তা বাড়ায় এবং অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই জাতীয় খাবারের কিছু উদাহরণের মধ্যে রয়েছে বেল মরিচ, ব্রোকলি এবং গাজর, পাশাপাশি কারেন্টস, ব্লুবেরি এবং অ্যাভোকাডোর মতো ফল। উপরন্তু, দিনে অন্তত একবার সবুজ চা পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

অধিকন্তু, ভাল স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে ব্যায়াম অপরিবর্তনীয়। নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র ওজন কমাতেই সাহায্য করে না বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অনেক রোগের ঝুঁকি কমায়। এইভাবে, পুষ্টিবিদ এবং ডাক্তাররা সর্বসম্মতভাবে নিয়মিত ব্যায়ামের পক্ষে পরামর্শ দেন। অধিকন্তু, বার্ধক্য রোধ করার পাশাপাশি এটি বিভিন্ন অসুখ-বিসুখও এড়ায়।

তাছাড়া, মানসিক স্বাস্থ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিষণ্নতার ছাপ অকাল বার্ধক্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অবসরপ্রাপ্তরা যারা একসময় তাদের কর্মজীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তারা মানসিক বিষণ্নতার সম্মুখীন হতে পারেন, যা তাদের মুখ ও চোখে দেখা যায়। ফলস্বরূপ, তাদের ত্বকের বয়স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। অতএব, একজনের মানসিক সুস্থতার যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে, ত্বকের বার্ধক্য ত্বরান্বিত করার জন্য সূর্য একটি উল্লেখযোগ্য ফ্যাক্টর। সুতরাং, রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা, টুপি এবং গাঢ় চশমা বহন করা বুদ্ধিমানের কাজ। ফুলহাতা শার্ট পরাও বাঞ্ছনীয়। উচ্চ এসপিএফ সহ সানস্ক্রিন প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মেঘলা দিনেও এটি প্রয়োগ করতে ভুলবেন না।

পর্যাপ্ত ঘুম, শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাবার, রোদ থেকে সতর্ক হোন এবং মানসিক স্বাস্থ্য।