ভারতের আরও একটি সাফল্যের মাইলফলক : সুস্থতার হার বেড়ে ৯০ শতাংশ

Published By: Khabar India Online | Published On:

খবরইন্ডিয়াঅনলাইন, নয়াদিল্লিঃ ভারত করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও একটি সাফল্যের মাইলফলক অর্জন করেছে। আজ জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় ৬২,০৭৭ জন আরোগ্য লাভ করেছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫০,১২৯ জন।

এই সাফল্য সুস্পষ্টভাবে কারোনায় আক্রান্তের সংখ্যা লাগাতার হ্রাস পাওয়ার দরুণ সম্ভব হয়েছে। এমনকি, পরপর তিনদিন সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষের নিচে রয়েছে। বর্তমানে দেশে মোট আক্রান্তের তুলনায় সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের হার কেবল ৮.৫০ শতাংশ। আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ১৫৪।

দেশে করোনায় সুস্থতার সংখ্যাও ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। এখনও পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন ৭০ লক্ষ ৭৮ হাজার ১২৩ জন। সুস্থতার সংখ্যা লাগাতার বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আক্রান্তের সংখ্যার সঙ্গে ফারাক ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে এই ফারাক বেড়ে হয়েছে ৬৪ লক্ষ ৯ হাজার ৯৬৯।

দেশে গত এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে ১ হাজারের নিচে রয়েছে। গত ২ অক্টোবর করোনায় মৃতের সংখ্যা ১,১০০-র নিচে নেমেছিল।

সদ্য আরোগ্য লাভকারীদের ৭৫ শতাংশই ১০টি রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। এগুলি হল – মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, উত্তরপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়। মহারাষ্ট্র থেকে একদিনেই সর্বাধিক ১০ হাজারের বেশি করোনা রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৫০,১২৯ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৭৯ শতাংশই ১০টি রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। কেরল থেকে অধিক সংখ্যায় করোনায় আক্রান্তের হার অব্যাহত রয়েছে। এই রাজ্যটি থেকে গত ২৪ ঘন্টায় ৮ হাজার জনেরও বেশি নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র থেকে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজারের কিছু বেশি।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৫৭৮ জনের করোনাজনিত কারণে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মারা গেছেন ১০টি রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। মহারাষ্ট্র থেকেই সর্বাধিক ১৩৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

ভারতের নমুনা পরীক্ষাগার নেটওয়ার্কে আরও একটি সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মোট নমুনা পরীক্ষাগারের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। পুণেতে একটি নমুনা পরীক্ষাগার নিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ সেই সংখ্যা পৌঁছেছে ২,০০৩-এ। এই নমুনা পরীক্ষাগারগুলির মধ্যে ১,১২৬টি সরকারি এবং ৮৭৭টি বেসরকারি। সূত্র – পিআইবি।