এসপ্লানেড থেকে হাওড়া ময়দান, মাত্র ১২ মিনিট অন্তর ব্যবধানে, সুখবর দিল মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ

Published By: Khabar India Online | Published On:

কলকাতার (Kolkata) বুকে মেট্রো পরিষেবাকে মহানগরীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে কোনোরূপ ট্র্যাফিক জ্যাম ছাড়াই যাত্রীদের পৌঁছে দিচ্ছে পাতালরেল। ১৯৮৪ সালে চালু হওয়া এই পরিষেবা এখনো এক প্রাচীন এবং আধুনিকতা প্রদান করে তিলোত্তমা নগরীকে।

একাধিক রুটে মেট্রো চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে ব্যস্ততম শহর কলকাতার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসতে চলেছে আমূল পরিবর্তন।

কিন্তু সবকটি প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম হল গঙ্গার নীচ দিয়ে ট্রেন চালানো মানে ‘ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো’ (East-West Metro)। এখন রাজ্যবাসী তাকিয়ে সেই দিনটির জন্য। যখন গঙ্গাকে ভেদ করে তার বুক চিরে ছুটে যাবে ট্রেন। সূত্রের খবর, হাওড়া-ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড রুটে মেট্রো চালানোর দিনক্ষণ এবার সামনে নিয়ে এল কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, শীঘ্রই এই রুটে ছুটবে পাতালরেল। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত রুটে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে যাত্রী পরিবহণ।

আরও পড়ুন -  পুজোর আগেই ফিরতে পারেন তৃণমূলে, জায়গা শক্ত করতেই কি ত্রিপুরায় রাজিব ?

কবে থেকে চালু হবে এই মেট্রো পরিষেবা? কতক্ষণ চলবে এই রুটের মেট্রো? একজোড়া প্রশ্ন উঠছে শহরবাসীর মনে। এবার এই বিষয়টি নিয়ে বড়সড় আপডেট দিলো মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন -  Nails: হট অয়েল ম্যানিকিওর করে, নখ ভালো রাখুন

রেল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকবছর ধরেই এই মেট্রো লাইনের কাজ চলছে। কাজ সম্পুর্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল। ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে ট্রায়াল রান। এবার যাত্রী পরিবহনের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত, কোনো সন্দেহ নেই। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে উপরমহল থেকে গ্রীন সিগন্যাল পেলেই বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়ে যাবে পরিষেবা।

আরও পড়ুন -  Satabdi Roy: শতাব্দী রায় প্রশ্নের উত্তরে হারিয়ে গেলেন, হৃদয় কত বড় প্রসেনজিতের

এই রুটে যাত্রী পরিবহন বিপুল পরিমাণ হতে পারে বলে অনুমান করছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিনই হাওড়া স্টেশন থেকে কলকাতায় আসেন লক্ষ লক্ষ মানুষ নানান কাজের জন্য। উল্টোদিক থেকেও একই পরিমান যাত্রীদের চাপ থাকবে। এই কথাটি মাথায় রেখেই খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, ১২ মিনিট অন্তর এই রুটে মেট্রো চালাবে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।