Pakistan Parliament: তারিখ ঘোষণা হলো, পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার

Published By: Khabar India Online | Published On:

তারিখ চূড়ান্ত ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বা পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার। শীর্ষ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তর আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত ঠিক হয়।

আগামী ৯ আগস্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। গত মাস ১৮ জুলাই পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার তারিখ প্রাথমিকভাবে ৮ আগস্ট জানিয়েছেন শেহবাজ শরিফ। বড় ভাই নেওয়াজ শরিফকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন -  কোভিড টিকাকরণের সুবিধাভোগী

রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক দুরাবস্থার মাঝে গত মাস থেকেই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে শরিফ সরকার। এরই অংশ হিসেবে সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ তৈরির দিনক্ষণও স্পষ্ট করলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৯ আগস্ট ক্ষমতা হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সংসদ সদস্যদের মতামত চাওয়ার সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন। সেই সঙ্গে আলোচনায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের আগে ক্ষমতার হস্তান্তরের বিষয়টিও ছিল।

আরও পড়ুন -  ট্রোলের ঝড় নেটদুনিয়ায়, মিষ্টি প্রমিতার ‘কঙ্কালসার চেহারা’ দেখে!

পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠাবেন। পাকিস্তানের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি ওই পত্রে স্বাক্ষর না করেন, তাহলে অ্যাসেম্বলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে।

আরও পড়ুন -  পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক দপ্তরে নারী দিবস পালন

আগে ১২ আগস্টের আগেই সংসদ ভেঙে দেয়ার কথা জানিয়েছিলেন শাহবাজ শরিফ। তিনি জানিয়েছিলেন, জাতীয় পরিষদের বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে পরামর্শ করে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যে তিনি সমস্ত মিত্র দল এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগের (এন) নওয়াজ শরিফের সাথেও এ বিষয়ে পরামর্শ করবেন সেটিও নিশ্চিত হয়েছিলো।

সূত্রঃ দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। ফাইল ছবি।