ত্বককে রক্ষায় টোটকা, সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে

Published By: Khabar India Online | Published On:

গরমের দাপট দেখে রীতিমতো ভয় পাচ্ছে সকলে। বাকি আছে গোটা বৈশাখ মাস। মধ্যগগনে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ত্বকের উপর পড়লে নানা রকম ক্ষতি হয়। ত্বকের ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রোদের তেজ সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন এই সময়ে প্রয়োজন না থাকলে বাইরে বার হবেন না। যাদের বাইরে বেরোতেই হয়, তারা সূর্যের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করতে কি করা দরকার?  

সূর্যের ক্ষতিকর ‘ইউভি এ’ ও ‘ইউভি বি’-র হাত থেকে বাঁচতে এসপিএফ ৩০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু রোদে বেরোনোর আধ ঘণ্টা আগে সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে। মুখ বা হাত নয়, পায়ের যেটুকু অংশ জুতোর ফাঁক দিয়ে বাইরে বেরিয়ে থাকে, সেখানেও সানস্ক্রিন লাগিয়ে নেবেন।

আরও পড়ুন -  Sreemoyee Chattaraj: জলকেলিতে মত্ত রাধারানী,বাথটবে সাদা টাওয়াল পড়ে, নেটনাগরিকের প্রশ্ন, ‘ছবিটা কি কাঞ্চনদা তুললেন?’

গরমকালে হাতকাটা পোশাক না পরলেই ভাল। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাব থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিনের উপর যদি পোশাকের আবরণ থাকে, তাতে দ্বিগুণ সুরক্ষা পাবেন।

রোদের তাপে হিট স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা যেমন থাকে, তেমনই থাকে ডিহাইড্রেট হওয়ার চিন্তা। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে জলের ঘাটতি পূরণের জন্য, দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খাবেন। অ্যালকোহল, চা ও ক্যাফিনজাতীয় পানীয় না খেলে ভালো।

আরও পড়ুন -  Web Series: লজ্জার সমস্ত সীমা পার করে দিলেন ললিতা ভাবী, ছোটদের বা বড়দের সামনে এই সিরিজটি দেখা যাবে না

গরম কালে ঘাম বেশি হয়। অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে ধুলোবালি মিশে ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলির মুখ বন্ধ হয়ে যায়,  তখন ত্বকে র‌্যাশ, ব্রণর সমস্যা বাড়ে। হালকা সুতির পোশাক পরবেন।

আরও পড়ুন -  তিনদিন ধরে বন্ধ পানীয় জল পুরাতন মালদা পৌরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে

খুব দরকার না পড়লে চড়া রোদে না বেরোনোই ভাল। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রোদের তেজ থাকে সব চেয়ে বেশি। সূর্যের প্রখর তাপ থেকে বাঁচতে ছাতা অবশ্যই ব্যবহার করবেন। এছাড়া রোদ চশমা নিতে পারেন।