নূরজাহান লতাকে নিয়ে যা বলেছিলেন

Published By: Khabar India Online | Published On:

চির বিদায় নিয়েছেন উপমহাদেশের সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। রেখে গেছেন কোটি কোটি শ্রোতা। লতা মঙ্গেশকরের আইডল ছিলেন কিংবদন্তির কণ্ঠশিল্পী নূরজাহান। দেশ ভাগ হওয়ার পর ভারত ছেড়ে পাকাপাকিভাবে তিনি চলে গিয়েছিলেন পাকিস্তানে। কিন্তু তার ভক্তরা কখনও ভুলতে পারেননি তাকে। লতা মঙ্গেশকরও না।

একবার নূরজাহানের সামনে গান করেছিলেন তিনি। মঙ্গেশকরের বয়স তখন কম। বাবাকে স্মরণ করে গান গেয়েছিলেন। মুগ্ধ হয়ে শুনেছিলেন নূর জাহান।

আরও পড়ুন -  সঙ্গীত ছিল তার চেতনায় ও মননে, সুধীন দাশগুপ্ত বাংলা মৌলিক গানের স্বর্ণযুগ বলে বিবেচিত হয়

নাসরিন মুন্নী কবীর তার একটি বইতে লতা মঙ্গেশকরের গান সম্পর্কে কিছু তথ্য, গল্প তুলে ধরেছিলেন- লতাজি গান গাওয়ার ব্যাপারে বেশ উৎসাহী ছিলেন। আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

বইটিতে নাসরিন লিখেছেন, লতাজিকে একবার নূরজাহানের সামনে গান গাইতে বলা হয়েছিল। ‘বড়ি মা’ ছবির সেটে নূরজাহানের সঙ্গে পরিচয় হয় লতাজির। মাস্টার বিনয় তাকে নূরজাহানের সামনে একটি গান গাইতে বলেছিলেন। উনি তখন রাগ জয়জয়বন্তী গেয়েছিলেন। এরপর নূরজাহান চলচ্চিত্রের একটি গান গাইতে বলেন। লতাজি তখন আর.সি বোরালের ছবি থেকে ‘জীবান হ্যায় বেকার তুম হারে বিনা’ গানটি গেয়েছিলেন।”

আরও পড়ুন -  T20 World Cup: শ্রীলঙ্কা, সুপার টুয়েলভের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো

লতাজি যখন এই গানটি গাইছিলেন, তখন তিনি স্মরণ করেছিলেন তার বাবাকে। তার বাবা তাকে বলতেন, গুরুর সামনে গান গাইলে নিজেকে গুরু মনে করবে।

লতাজির গান শোনার পর নূরজাহান বলেছিলেন, আরও অভ্যাস করো। সেদিন নূরজাহান আরো বলেছিলেন লতাজি একদিন খুব বড় গায়িকা হয়ে উঠবেন।

আরও পড়ুন -  সাংবাদিকদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকারের পক্ষে সওয়াল, প্রাক্তন বিচারপতি শাহিদুল্লাহ মুন্সির